পর্ব ২: জীবনের ক্লান্তি ও নিঃসঙ্গ পদযাত্রা

অধ্যায় ২০ ক্লান্তির পর যে শূন্যতা জন্মায়

ঝড় থামার পরের এক অপার নিস্তব্ধতা

৫ মিনিট পাঠ

সব ঝড়েরই একটা শেষ থাকে। কান্নারও একটা শেষ থাকে।

যখন মানুষ কাঁদতে কাঁদতে ক্লান্ত হয়ে পড়ে, যখন ক্ষোভ আর অভিমান প্রকাশ করার মতো আর কোনো শক্তি বাকি থাকে না, তখন ভেতরে এক অপূর্ব শূন্যতা তৈরি হয়। এই শূন্যতায় কোনো ব্যথা নেই, কোনো আনন্দও নেই। এটি এক নির্লিপ্ত ধ্যানমগ্নতা।

তখন আর কারো ওপর রাগ হয় না। যে ছেড়ে গেছে, তার প্রতি কোনো তিক্ততা থাকে না। যে আঘাত করেছে, তাকে প্রতিশোধ নেওয়ার কোনো ইচ্ছা থাকে না।

মনে হয়, যাক, যা ঘটার তা তো ঘটেই গেছে। এই মহাবিশ্বের বুকে মানুষের দুঃখ কতটুকুই বা গুরুত্বপূর্ণ?

বেদনার শেষ সীমানায় পৌঁছে মানুষ দুঃখ পায় না, মানুষ তখন দার্শনিক হয়ে ওঠে।

এই ক্লান্তির পরেই জন্ম নেয় দর্শনের প্রথম আলো। তখন মানুষ জীবনকে প্রশ্ন করা বন্ধ করে জীবনকে গ্রহণ করতে শেখে। এখান থেকেই শুরু হয় আমাদের মুক্তির পথ।