দ্বিতীয় গ্রন্থ সংকলন · কাব্যিক দার্শনিক গদ্য

শব্দহীনতার পদাবলি

অব্যক্ত অনুভূতির নিভৃত মানচিত্র

৪৫টি অধ্যায়·৪টি পর্ব ও প্রস্তাবনা·অফলাইনে পাঠযোগ্য
“যে কথাগুলো কোনোদিন কাউকে মুখ ফুটে বলা যায় না, অথচ মনের এক কোণে আজীবন থেকে যায়, সেই না-বলা অনুভূতির সংকলন।”

অধ্যায়সমূহের সূচিপত্র

পর্ব ১: হেমন্তের পাণ্ডুলিপি ও অব্যক্ত প্রেম

১১টি অধ্যায়
অধ্যায় ০১৪ মিনিট

ঠোঁটের কিনারে থমকে থাকা নাম

কিছু ভালোবাসা প্রকাশ না করার কারণেই আজীবন অক্ষত থেকে যায়

অধ্যায় ০২৪ মিনিট

যে চিঠি কোনোদিন ডাকে দেওয়া হয়নি

ড্রয়ারের ভেতর হলুদ হয়ে যাওয়া খামের দীর্ঘশ্বাস

অধ্যায় ০৩৪ মিনিট

সমান্তরাল রেললাইন ও অদেখা স্টেশন

পাশাপাশি ছুটে চলা অথচ আজীবন স্পর্শহীন থাকা

অধ্যায় ০৪৪ মিনিট

বৃষ্টির দিনে যাকে মনে পড়ে

জানলার গ্রিলে হাত রেখে চা খাওয়া এবং স্মৃতির অতল গহ্বর

অধ্যায় ০৫৪ মিনিট

স্পর্শের চেয়েও গভীর যে দূরত্ব

এক বিছানায় পাশাপাশি শুয়ে থেকেও আলোকবর্ষ দূরত্বের জন্ম হওয়া

অধ্যায় ০৬৪ মিনিট

নক্ষত্রের নিচে একা দাঁড়িয়ে থাকা মানুষ

মানুষ কতটা নিঃসঙ্গ হলে আকাশের তারাদের সাথে নিজের দুঃখের তুলনা করে

অধ্যায় ০৭৪ মিনিট

পুরনো বইয়ের ভাঁজে শুকনো বকুল

একটি শুকনো ফুল কীভাবে বিশ বছর আগের কোনো এক বিকেলকে জীবন্ত করে রাখে

অধ্যায় ০৮৪ মিনিট

অসমাপ্ত কথোপকথনের প্রতিধ্বনি

শেষ না হওয়া এক আলাপ, যা মানুষ সারাজীবন মনে মনে চালিয়ে যায়

অধ্যায় ০৯৪ মিনিট

অপ্রাপ্তির নিজস্ব নান্দনিকতা

পেয়ে গেলে প্রেমের মৃত্যু হতো, না-পাওয়ার শূন্যতাই শিল্পের জন্ম দেয়

অধ্যায় ১০৪ মিনিট

অন্য কারো হয়ে যাওয়া মানুষটির জন্য

কোনো অধিকার নেই, কোনো দাবি নেই, শুধু দূর থেকে এক শান্ত শুভকামনা

অধ্যায় ১১৪ মিনিট

শেষ বিকেলের চায়ের কাপে একাকীত্ব

চায়ের ধোঁয়া মিলিয়ে যাওয়ার মতো জীবনের সম্পর্কগুলোর নিঃশব্দ প্রস্থান

পর্ব ২: নাগরিক ক্লান্তি, মুখোশ ও নীল আলোর ফাঁদ

১১টি অধ্যায়
অধ্যায় ১২৪ মিনিট

ভালো আছির নিখুঁত অভিনয়

প্রতিদিন সবাইকে ভালো থাকার প্রমাণ দিয়ে নিজের ভেতর ক্ষয়ে যাওয়া

অধ্যায় ১৩৪ মিনিট

নীল পর্দার আলো ও অভুক্ত আত্মা

হাজার ভার্চুয়াল বন্ধুর ভিড়ে একাকী ঘরের নিস্তব্ধতা

অধ্যায় ১৪৪ মিনিট

ভরসার জায়গায় প্রতারণার গন্ধ

প্রতারিত হলে পেটে যে ক্ষুধা লাগার মতো অনুভূতি হয় এবং গা গুলায়

অধ্যায় ১৫৪ মিনিট

মাঝরাতের ট্রাফিকে পথ হারানো মানুষ

চেনা শহরের রাজপথে গাড়ির হেডলাইটের আলোয় নিজেকে ঠিকানাহীন মনে হওয়া

অধ্যায় ১৬৪ মিনিট

ইমপোস্টার সিন্ড্রোম ও কাঁচের ঘর

পৃথিবী ভাবছে আমি কত সফল, অথচ বুকের ভেতর ধরা পড়ে যাওয়ার আতঙ্ক

অধ্যায় ১৭৪ মিনিট

ভিড়ের ভেতরে হঠাৎ বিচ্ছিন্নতা

বন্ধুদের আড্ডা বা মিটিংয়ের মাঝখানে আচমকা সবাইকে পুতুল মনে হওয়া

অধ্যায় ১৮৪ মিনিট

শক্ত মানুষের একলা কাঁদার অধিকার

যে মানুষটা সবাইকে আগলে রাখে, দিনশেষে তার চোখের জল মোছানোর কেউ থাকে না

অধ্যায় ১৯৪ মিনিট

অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার গোপন ব্যাকুলতা

আত্মহনন নয়, কেবল কয়েকটা দিনের জন্য চেনা জগৎ থেকে সম্পূর্ণ মুছে থাকার ইচ্ছা

অধ্যায় ২০৪ মিনিট

সোশ্যাল মিডিয়ার শবাগার

ঝলমলে ছবির আড়ালে রক্তক্ষরণ ও লাইক-কমেন্টের নিচে চাপা পড়া কান্না

অধ্যায় ২১৪ মিনিট

ক্লান্তি যখন অভ্যাসে রূপ নেয়

কোনো বড় শোক নেই, তবু সকালে ঘুম ভাঙলে বেঁচে থাকাকে বোঝা মনে হওয়া

অধ্যায় ২২৪ মিনিট

ঘরের ভেতর অচেনা আয়না

বাথরুমের আয়নায় নিজের মুখের দিকে তাকিয়ে নিজেকেই আগন্তুক মনে হওয়া

পর্ব ৩: রক্তমাংসের অলিখিত ঋণ ও গোপন ক্ষত

১১টি অধ্যায়
অধ্যায় ২৩৪ মিনিট

বাবার পুরোনো চশমা ও ক্ষয়ে যাওয়া জুতো

যে বাবার ত্যাগ কোনোদিন চোখে পড়েনি, বয়স বাড়ার পর তার শূন্যতার ওজন বোঝা

অধ্যায় ২৪৪ মিনিট

মায়ের আঁচলে শেষ মিষ্টির গন্ধ

মায়ের নিঃশব্দ সেবা, যা আমরা অধিকার বলে ধরে নিয়েছিলাম

অধ্যায় ২৫৪ মিনিট

ডায়াল প্যাডে কেটে দেওয়া কল

ফোন নাম্বার তুলে বহুক্ষণ তাকিয়ে থেকে অবশেষে কেটে দেওয়া

অধ্যায় ২৬৪ মিনিট

ভাইবোনের মাঝের নীরব দেওয়াল

এক শৈশবের স্মৃতি বুকে নিয়ে প্রাপ্তবয়সে অচেনা পরবাসী হয়ে যাওয়া

অধ্যায় ২৭৪ মিনিট

পরিবারের কালো ভেড়া

পরিবারের ছাঁচে নিজেকে মেলাতে না পেরে আজীবন একা ও নিন্দিত হয়ে বেঁচে থাকা

অধ্যায় ২৮৪ মিনিট

শেষবার দেখার দিনেও না-বলা কথা

জানতাম এটাই হয়তো শেষ সাক্ষাৎ, তবুও স্বাভাবিক থাকার অভিনয় করে বিদায় নেওয়া

অধ্যায় ২৯৪ মিনিট

ক্ষমা না পাওয়ার চিরস্থায়ী খামতি

মানুষটি চলে যাওয়ার পর কবরের পাশে দাঁড়িয়ে ক্ষমা প্রার্থনার ব্যর্থ চেষ্টা

অধ্যায় ৩০৪ মিনিট

শূন্য ডাইনিং টেবিল ও নীরব দুপুর

ডাইনিং টেবিলের খালি চেয়ারগুলো যেভাবে পরিবারের অবলুপ্তির সাক্ষী হয়ে থাকে

অধ্যায় ৩১৪ মিনিট

শৈশবের বন্ধু ও অচেনা কুশলবিনিময়

বহু বছর পর দেখা হওয়া বন্ধুর সাথে মেকি হাসি দিয়ে কথা বলা ও হারিয়ে যাওয়া সারল্য

অধ্যায় ৩২৪ মিনিট

অলিখিত ঋণ যা শোধ হয় না

মানুষ আমাদের ভালোবাসায় যা দিয়েছিল, স্বার্থপরতার কারণে আমরা তার কিছুই ফিরিয়ে দিতে পারিনি

অধ্যায় ৩৩৪ মিনিট

মৃত মানুষের রেখে যাওয়া ঘড়ি

জড়বস্তু বেঁচে থাকে অনন্তকাল, শুধু রক্তের মানুষটি এক নিমেষে হাওয়ায় মিলিয়ে যায়

পর্ব ৪: নৈঃশব্দ্যের দর্শন, আত্ম-কৌতুক ও মুক্তি

১১টি অধ্যায়
অধ্যায় ৩৪৪ মিনিট

রাত তিনটের আত্ম-কৌতুক

নিজের জীবনের সমস্ত ট্র্যাজেডিকে দূর থেকে দেখে এক চিলতে ম্লান হাসিতে উড়িয়ে দেওয়া

অধ্যায় ৩৫৪ মিনিট

সব প্রশ্নের উত্তর পেতে নেই

জীবনের সব গল্পের সমাপ্তি সুন্দর হয় না, ছেঁড়া পাতা নিয়েই বই বন্ধ করতে শেখা

অধ্যায় ৩৬৪ মিনিট

কাউকে প্রমাণ করার কিছু নেই

সঠিক প্রমাণের ক্লান্তি থেকে মুক্তি, পৃথিবী যা ভাবে ভাবুক নিজের শান্তিতে ফেরা

অধ্যায় ৩৭৪ মিনিট

ফাঁপা বাঁশির গভীর সুর

অন্তরের শূন্যতাই মূলত নতুন সুর তৈরি করে, অভাব না থাকলে সংগীত জন্মায় না

অধ্যায় ৩৮৪ মিনিট

হারিয়ে যাওয়ার পর নতুন পথ

পথ হারানোর পরেই মানুষ নিজের আসল রূপ দেখতে পায়

অধ্যায় ৩৯৪ মিনিট

নীরবতায় যৌথ সহাবস্থান

দুজন মানুষের কোনো কথা না বলেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্বাচ্ছন্দ্যে বসে থাকার পবিত্রতা

অধ্যায় ৪০৪ মিনিট

বয়সের সাথে আসা নির্লিপ্ততা

সময়ের মলম ক্ষত সারায় না, সময় শুধু ক্ষতকে সহ্য করার শক্তি এনে দেয়

অধ্যায় ৪১৪ মিনিট

ক্ষতদের ভালোবেসে বাঁচা

শরীরের আর মনের দাগগুলো মুছে ফেলার নয়, ওগুলো টিকে থাকার স্মারক

অধ্যায় ৪২৪ মিনিট

প্রকৃতির মৌন পাঠশালা

ঝরাপাতার মতো নিঃশব্দে চলে যাওয়া এবং প্রকৃতির নিয়মে বিলীন হওয়া

অধ্যায় ৪৩৪ মিনিট

অভিশাপই যেখানে আশীর্বাদ

দুঃখকে কাব্যে রূপ দেওয়ার শক্তি, কবির অভিশপ্ত একাকিত্বই তার পরম সম্পদ

অধ্যায় ৪৪৪ মিনিট

উপসংহার: এখন যে কটা দিন বাঁচি, সূর্যে সূর্যে হাঁটি

সব না-বলা কথাকে বিদায় জানিয়ে রোদ মেখে শান্ত মনে সামনে এগিয়ে যাওয়া